প্রিয় বন্ধুরা! আসসালামু আলাইকুম!

আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভালো আছেন। আজ আমরা আলোচনা করব ইলমুস সররফ নিয়ে। ইলমুস সরফ কি? ইলমুস সরফ কিভাবে শিখবেন? ইলমুস সরফ শিখলে কি উপকার হবে? ইলমুস সরফ শিখে কি বুঝা যাবে ইত্যাদি।


প্রথমে আমরা জানব ইলমুস সরফের অর্থ-- আরবি দুটি শব্দের মিলনে গঠিত হয়েছে ইলমুস সরফ সম্বন্ধ পদটি। এর অর্থ রুপান্তর শাস্ত্র। ইলম অর্থ শাস্ত্র,  সরফ অর্থ রুপান্তর।


ইলমুস সরফ কাকে বলে?


যে বিদ্যা অর্জন করলে আরবি ক্রিয়া পদ রুপান্তর করার জ্ঞান অর্জন হয় তাকে ইলমস সরফ বলে। 
যেমন---النــصــر =মাসদার থেকে অতীত কালের রুপান্তর। 
نــصـر.نـصرا.نـصروا.نـصرت.نـصرتـا.نـصرن.نـصرت.نـصرتـمـا.نـصرتـم.نـصرت.نـصرتمـا.نصرتن.نـصرت.نصـرنا

যেমন---
বাংলায় আমরা রুপান্তর করে থাকি, সে সাহায্য করল, আমি সাহায্য করলাম, তুমি সাহায্য করলে, আমরা গেলাম, তোমরা যাবে, তারা আসবে, তুমি পড়বে ইত্যাদি বিভিন্ন রুপে রুপান্তর করে থাকি--


এভাবে প্রতিটি মাসদার দিয়ে প্রতিটি কালের রুপান্তর করার যোগ্যতা অর্জন হয় ইলমস সরফ শেখার মাধ্যমে।


আরবিতে প্রথমত কাল তিন প্রকার---


১.মাজি বা অতীত
২.হাল বা বর্তমান
৩.মুস্তাকবিল বা ভবিষ্যৎ

হাল আর মুস্তাকবিলকে এক সাথে মুজারে বলা হয়, মুজারে বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ কালের অর্থ প্রকাশ করে। তার মানে হচ্ছে যদি মুজারে এর রুপান্তর শেখা যায় তবে হাল ও মুস্তাকবিলের এক সাথে হয়ে যাবে।



আরবিতে আমর বা আদেশ সূচক ও নাহি বা না বোধক বাক্য গঠনের জন্য আলাদা রুপান্তর রয়েছে।


যদি কেউ ইলমুস সরফ শিখতে পারে তবে সে যেন ইংরেজি টেনস শিখতে পারল। সুতরাং বলা যায় সে আরবি ভাষার মোটামুটি একটি ভিত্তি তার মাঝে তৈরি করে নিতে সক্ষম হল।


ইলমুস সরফে কি কি রয়েছে

বলা ইলমুস সরফে আরবি ক্রিয়াপদ থেকে বাক্য গঠনের সব কিছু রয়েছে।
একটি উদাহরণ দিলে বুঝা যাবে----

আমরা ইংরেজি টেন্স শেখার পর যেমন বলতে পারি,  

আমি যাই, সে যায়, তুমি যাবে, সে গিয়েছিল, তুমি যাচ্ছিলে, তুমি যাবেনা, তুমি খেয়ে থাকবে ইত্যাদি


অনুরুপভাবে যদি কেউ ইলমুস সরফ শিখে, সেও এরকম বলতে পারবে,কিন্তু বাক্যকে যুক্ত করার জন্য, অথবা ক্রিয়াবিহীন আরবি বাক্য তৈরির জন্য তাকে ইলমুন্নাহু শিখতে হবে। ইলমুন্নাহু জ্নলে যের যবর পেশ ছাড়া আরবি পড়া যায়---